Summary
এই কবিতায় নদীর জীবনের নানা অভিজ্ঞতা এবং সংগ্রামের চিত্র প্রকাশিত হয়েছে।
- জীবনের স্বাদ: নদী চের সমুদ্রের স্বাদ পেয়েছে এবং বিভিন্ন অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছে।
- শ্রমের ফসল: দুই তীরে কঠোর পরিশ্রমের ফলে প্রচুর শস্য উৎপাদন হয়েছে।
- নদীর শক্তি: জীবনের দ্বন্দ্বে বিনা ভয়ে নদী তার প্রবাহ অব্যাহত রেখেছে।
- প্রাকৃতিক সৌন্দর্য: নদী উর্বর জমিতে ফলন দিয়েছে এবং সবুজের মাঝে জীবনকে পূর্ণতা দানে সাহায্য করেছে।
সর্বশেষে, নদীর শক্তি ও গতি মুক্তির প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
অনেক ঘূর্ণিতে ঘুরে, পেয়ে চের সমুদ্রের স্বাদ,
জীবনের পথে পথে অভিজ্ঞতা কুড়ায়ে প্রচুর
কেঁপেছে তোমাকে দেখে জলদস্যু- দুরন্ত হার্মাদ
তোমার তরঙ্গভঙ্গে বর্ণ তার হয়েছে পাণ্ডুর।
সংগ্রামী মানুষ তবু দুই তীরে চালায়ে লাঙল
কঠিন শ্রমের ফল শস্য দানা পেয়েছে প্রচুর;
উর্বর তোমার চরে ফলায়েছে পর্যাপ্ত ফসল
জীবন-মৃত্যুর দ্বন্দ্বে নিঃসংশয়, নির্ভীক জওয়ান
সবুজের সমারোহে জীবনের পেয়েছে সম্বল।
বর্ষায় তোমার স্রোতে গেছে ভেসে সাজানো বাগান,
অসংখ্য জীবন, আর জীবনের অজস্র সম্ভার,
হে নদী! জেগেছে তবু পরিপূর্ণ আহ্বান,
মৃত জড়তার বুকে খুলেছে মুক্তির স্বর্ণবার
তোমার সুতীব্র গতি। তোমার প্রদীপ্ত স্রোতধারা ॥
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
বহু আগে থেকে বংশানুক্রমে পদ্মা-তীরবর্তী অঞ্চলে বাস করে আক্কাস আলি। বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে বহুবার তার ঘরবাড়ি ভেসে গেছে। আবার নতুন উদ্যমে ঘর নির্মাণ করে, ফসল ফলিয়ে সে টিকে আছে।
মতিন মিয়া বহু নদীতে নৌকা বেয়ে মাছ ধরেছেন। কিন্তু পদ্মায় মাছ ধরতে এসে তিনি নতুন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন। নদীতে নৌকা বাইতে গিয়ে তিনি আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন।
নদীর কিনার ঘন ঘাসে ভরা
মাঠ থেকে গরু নিয়ে আয় ত্বরা
করিস না দেরি আসিয়া পড়িবে সহসা অথৈ জল
মাঠ থেকে গরু নিয়ে আয় ত্বরা মেঘনায় নামে ঢল।